পাতা

সাধারণ তথ্য

১ । বিদেশগামী কর্মীদের নাম ডাটাবেজে তালিকাভূক্তিকরণঃ

     ক) নির্ধারিত আবেদন ফরম।
     খ) পাসপোর্ট সাইজের (সত্যায়িত) রঙ্গিন ছবি-০২(দুই)কপি।
     গ) পাসপোর্ট /ভিসার ফটোকপি (যদি থাকে)।
     ঘ) পৌরসভার মেয়র/কাউন্সিলর/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নিকট হইতে নাগরিকত্ব সনদপত্র/জাতীয় পরিচয়পত্রের

        ফটোকপি।
     ঙ) সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
     চ) মহাপরিচালক,জনশক্তি,কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো,৮৯/২ কাকরাইল,ঢাকার বরাবরে সোনালী ব্যাংক হতে ৮০/-

        (আশি) টাকার পে-অর্ডার সংগ্রহ করে কাগজ পত্রের সাথে জমা দিতে হবে।

    

        ডাটাবেজে নাম তালিকাভূক্তির সময়-০২(দুই) দিন

 

২ । বিদেশে মৃত কর্মীদের লাশ দেশে আনা ও দাফন খরচ প্রদানঃ

    (ক) লাশ পরিবহন ও দাফন খরচের আর্থিক সাহায্য  বাবদ বিদেশে মৃত্যুবরনকারীদের ১৯/০৮/২০১০ তারিখ পর্যন্ত

       ওয়াশিগনকে ২০,০০০/-টাকা এবং উক্ত তারিখের পর হইতে ৩৫,০০০/- টাকা (ডেড বডি বাংলাদেশে আনয়ন

       স্বাপেক্ষে) প্রাপ্তির নিমিত্তে এয়ার ওয়েজ  বিলের মূল/ফটোকপি, মৃতুসনদ,পাসপোর্টের ফটোকপি, ওয়ারিশ সনদসহ

       আবেদনপত্র গ্রহন এবং সরজমিনে ওয়ারিশ সনাক্তাকরন পূর্বক তদন্ত প্রতিবেদনসহ চেক গ্রহনের ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তির

       চেয়ারম্যান কর্তৃক ২ কপি এবং সহকারী পরিচালক কর্তৃক ২ কপি সত্যায়িত ছবি সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জনশক্তি

       ব্যুরোতে প্রেরন করা হয়।

 

   (খ) বর্তমানে বিমান বন্দর হইতে লাশ পরিবহনের ৩৫,০০০/- টাকার চেক প্রাপ্তির নিমিত্তে স্থানীয় চেয়ারম্যান কর্তৃক

       ওয়ারিশ সনদ এবং চেক গ্রহনের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তির চেয়ারম্যান কর্তৃক ২ কপি সত্যায়িত ছবি জমা দিতে হইবে।

     

৩ ।  বিদেশে কর্মরত অবস্থায় মৃত বাংলাদেশী কর্মীদের আর্থিক ক্ষতিপুরণ আদায়ও বিতরণঃ

      সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তা হতে বকেয়া পাওনা ও ক্ষতিপুরণ আদায়ে ব্যবস্থা করা হয় । বিদেশে মৃত্যুবরনকারীর ওয়ারিশগন

      সংশ্লিষ্ট দেশ হইতে কোন প্রকার ক্ষতি পূরন/আর্থিক সাহায্য না পাইলে দুতাবাস/কনসুলারের সুপারিশের ভিত্তিতে মৃতের

    ওয়ারিশগন ০৯/০৫/২০০৯ইং তারিখ পর্যন্ত ১,০০,০০০/-(এক লক্ষ) টাকা এবং উক্ত তারিখের পর মৃত্যুবরণকারীগনের

     ওয়ারিশগন ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ) টাকা জনশক্তি ব্যুরোর কল্যাণ তহবিল হতে  ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ টাকা) পর্যন্ত

     আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয় ।

 

      এজন্য নিম্নোক্ত কাগজপত্রাদি জমা দিতে হয ।

-         সাদা কাগজে আবেদন,

-         মৃতের মূল পাসপোর্ট, ডেথ সার্টিফিকেট, পাওয়ার অব এটর্নী, উত্তরাধিকার সনদ, ফরায়েজনামা,  

          অভিভাবকত্ব সনদ(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), চেয়ারম্যান সনদ ও সত্যায়িত ছবি ।

 

 ৪ ।  বিদেশে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের প্রয়োজনবোধে আর্থিক ও আইনি সহায়তাঃ

       বিদেশের জেলে আটক কর্মীদের সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনে নিয়োজিত কর্মকর্তা/আইনজীবি দ্বারা আইনি

       সহায়তা প্রদান করা হয় ।

 

৫ ।  বিদেশ গমনেচ্ছু মহিলা কর্মী বাছাই ও প্রশিক্ষণে প্রেরণ করা হয়

 

৬ ।  ৮ম শ্রেনী হইতে দশম শ্রেনী পর্যন্ত ছাত্র/ছাত্রীগনকে ভবিষ্যতে লেখাপড়ার উপর পেশানির্দেশনা প্রদান

 

৭  ।  চাকুরী সংক্রান্ত তথ্যাদি সংগ্রহের জন্য নিয়োগকর্তাদের সহিত যোগাযোগ, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংগ্রহ ও তথ্য

       কেন্দ্রে সংরক্ষন করা হয়

 

৮  ।  বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীগনকে বিভিন্ন দেশের ভাষা সহ বিদেশ গমনের পূর্বে ও পরে বিভিন্ন বিষয়ে করনীয়

       সম্পর্কে লিফলেট ও পোষ্টারের মাধ্যমে সচেতন করা হয়


Share with :

Facebook Twitter